আজকের দিনে (২০২৬ সালের আগস্ট মাসে) ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উদযাপিত হচ্ছে। এই বিশেষ দিবসটি ঘিরে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো। যেকোনো ধরনের নাশকতা, সহিংসতা ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিহত করতে র্যাব ও পুলিশ যৌথভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে উগ্রবাদী গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রবিরোধী চক্রের যেকোনো চক্রান্ত মোকাবিলায় দেশজুড়ে সাইবার প্যাট্রোলিং ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার ঝুঁকি মূল্যায়ন করে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। বিশেষ করে অনুষ্ঠানস্থল, পদযাত্রা ও রোডমার্চের নির্ধারিত রুটগুলোতে পোশাকি ও সাদা পোশাকে র্যাব সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার রোধেও সাইবার টিমগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারি বজায় রাখছে।
অন্যদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশও (ডিএমপি) রাজধানীতে বহুমুখী ও কঠোর নিরাপত্তাবলয় তৈরি করেছে। ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর বিভিন্ন প্রবেশপথে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ডিবি ও সিটিটিসি ইউনিটের পাশাপাশি সোয়াট দল, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াডকে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকার নিরাপত্তা তদারকিতে সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার ও নিরাপত্তা হুমকির প্রেক্ষাপটে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। বিশেষ করে সরকারি যানবাহনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের ইউনিটগুলোকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং নগরবাসীর নিরাপত্তায় পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
Reporter Name 

















