Dhaka ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ Time View

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভুত্থান ও ঐতিহাসিক আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের কৃতিত্ব নয়; বরং এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফল। জনগণ রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই এই জুলাই আন্দোলন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি)-তে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অবিরাম সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিগত দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় দেশের সাধারণ মানুষ, বিএনপির অগণিত নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো কখনো রাজপথ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জনগণকে একা ফেলে মাঠ ত্যাগ না করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দেশ পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী সব রাজনৈতিক দল এবং দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক বিতর্ক, তর্ক এবং আন্দোলন হয়েছে। এখন সময় এসেছে সমস্ত বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করার। একই সঙ্গে তিনি দেশবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঠান্ডা মাথায় ধৈর্য ধারণ করে সজাগ দৃষ্টি রাখার এবং জনগণকে সতর্ক করার নির্দেশ দেন। জনগণের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপি বরাবরই জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র কাঠামোর রূপরেখা দিয়ে আসছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে যে সংস্কারের রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তা ৩১ দফার রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে দেশের জনগণ এই ৩১ দফার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন জানিয়েছে। ফলে এই সংস্কার প্রস্তাব এখন আর কেবল কোনো একক দলের রূপরেখা নয়, বরং এটি সমগ্র দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

সরকার গঠনের পেছনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের জাঁতাকলে পড়ে দেশের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রীয় খাত চরম ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। বিগত বছরগুলোতে প্রতি বছর দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যার ফলে অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত প্রশাসন নিয়ে বর্তমান সরকারকে কার্যক্রম শুরু করতে হয়েছে। এতসব প্রতিকূলতা ও আঞ্চলিক বৈরিতা সত্ত্বেও সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।

জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালিতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন করতে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য জ্বালানি কোম্পানি ‘পেট্রোনাস’-এর সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি করা সম্ভব হবে। এছাড়া দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান সক্ষমতা বাড়াতে বিগত ১৭ বছর ধরে অবহেলিত ও অকার্যকর রাখা রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘বাপেক্স’-কে অবিলম্বে পুনরুজীবিত করা হচ্ছে এবং নতুন করে দুটি আধুনিক ড্রিলিং রিগ কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির একাংশের সভাপতি মোস্তফা জামান হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মহিউদ্দিন এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও সভায় তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন।

Write Your Comment

About Author Information

Popular Post

বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে সহযোগিতার আগ্রহ

জনগণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মাধ্যমেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০২:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণঅভুত্থান ও ঐতিহাসিক আন্দোলন কোনো একক ব্যক্তি কিংবা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের কৃতিত্ব নয়; বরং এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফল। জনগণ রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই এই জুলাই আন্দোলন চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানী ঢাকার খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি)-তে আয়োজিত ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অবিরাম সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বিগত দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় দেশের সাধারণ মানুষ, বিএনপির অগণিত নেতাকর্মী এবং গণতন্ত্রমনা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো কখনো রাজপথ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও জনগণকে একা ফেলে মাঠ ত্যাগ না করার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ লড়াইয়ের পর জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের পথ সুগম হয়েছে।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দেশ পুনর্গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী সব রাজনৈতিক দল এবং দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতে অনেক রাজনৈতিক বিতর্ক, তর্ক এবং আন্দোলন হয়েছে। এখন সময় এসেছে সমস্ত বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ পুনর্গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করার। একই সঙ্গে তিনি দেশবিরোধী বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঠান্ডা মাথায় ধৈর্য ধারণ করে সজাগ দৃষ্টি রাখার এবং জনগণকে সতর্ক করার নির্দেশ দেন। জনগণের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জীবনমানের উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্র সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপি বরাবরই জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র কাঠামোর রূপরেখা দিয়ে আসছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে যে সংস্কারের রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তা ৩১ দফার রূপ নেয়। সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে দেশের জনগণ এই ৩১ দফার প্রতি পূর্ণ আস্থা ও সমর্থন জানিয়েছে। ফলে এই সংস্কার প্রস্তাব এখন আর কেবল কোনো একক দলের রূপরেখা নয়, বরং এটি সমগ্র দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

সরকার গঠনের পেছনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরশাসনের জাঁতাকলে পড়ে দেশের প্রায় প্রতিটি রাষ্ট্রীয় খাত চরম ধ্বংসের মুখে পড়েছিল। বিগত বছরগুলোতে প্রতি বছর দেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যার ফলে অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি, ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যব্যবস্থা এবং রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত প্রশাসন নিয়ে বর্তমান সরকারকে কার্যক্রম শুরু করতে হয়েছে। এতসব প্রতিকূলতা ও আঞ্চলিক বৈরিতা সত্ত্বেও সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে।

জ্বালানি খাতের সংকট সমাধানে বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালিতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক ও নিরবচ্ছিন্ন করতে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার স্বনামধন্য জ্বালানি কোম্পানি ‘পেট্রোনাস’-এর সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি আমদানি করা সম্ভব হবে। এছাড়া দেশের নিজস্ব গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধান সক্ষমতা বাড়াতে বিগত ১৭ বছর ধরে অবহেলিত ও অকার্যকর রাখা রাষ্ট্রীয় সংস্থা ‘বাপেক্স’-কে অবিলম্বে পুনরুজীবিত করা হচ্ছে এবং নতুন করে দুটি আধুনিক ড্রিলিং রিগ কেনার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির একাংশের সভাপতি মোস্তফা জামান হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী ও প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ও প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মহিউদ্দিন এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। সমগ্র অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন। এছাড়া ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও সভায় তাদের সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেন।