Dhaka ০২:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিতর্ক আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে নেটফ্লিক্সে ঝড় তুলেছে রিয়েলিটি শো ‘লক আপ’

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ Time View

জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে সম্প্রচারিত আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’-এর দ্বিতীয় মৌসুম ঘিরে চারদিকে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা। বিনোদন দুনিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে অনুষ্ঠানটি এখন পরিণত হয়েছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। মুক্তির পর মাত্র অল্প কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে শোটি কোটি কোটি দর্শকের নজর কেড়েছে এবং অনলাইন দুনিয়ায় সৃষ্টি করেছে বিশাল আলোড়ন। নেটফ্লিক্সের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রকাশের পর ইতোমধ্যে ৫ কোটি ঘণ্টার বেশি দেখা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এর ইন্টারঅ্যাকশন ছাড়িয়ে গেছে ২৫০ কোটি। তবে এই অভাবনীয় জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, সম্পর্কের সমীকরণ, অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য।

এবারের মৌসুমে সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে অভিনেতা রাম কাপুরকে ঘিরে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ দৃশ্য। প্রতিযোগিতার একটি পর্বে সহ-প্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার সঙ্গে রাম কাপুরের একটি চুম্বনের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। একদল দর্শক ও সমালোচক প্রশ্ন তোলেন, পারিবারিক বিনোদনের নামে এমন দৃশ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করা কতটা নৈতিক বা জরুরি ছিল। অন্যদিকে, শোয়ের সমর্থকরা দাবি করেন এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত একটি রিয়েলিটি শো, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সিদ্ধান্তে স্বাধীনভাবে অংশ নেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন যে রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করেছেন। কোনো কোনো টাস্কের শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি চরম অস্বস্তিতে পড়েন বলে জানান। অন্য এক প্রতিযোগী শিল্পা শিন্দেকে সঙ্গে নিয়ে শ্রেয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে বিষয়টি তাঁর পারিবারিক মর্যাদার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

যদিও শুরুম দিকে রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী কাপুর স্বামীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে শোয়ের একটি বিশেষ পর্বে তিনি সরাসরি শুটিংস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে সেটে প্রবেশ করে গৌতমী করজোড়ে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চান এবং দাবি করেন তাঁর স্বামী যদি কোনো অনুচিত আচরণ করে থাকেন তবে তিনি তার জন্য দুঃখিত। এই আবেগঘন ও নাটকীয় মুহূর্তটি দর্শকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার ঝড় তোলে। রিয়েলিটি শোর চিরাচরিত ফর্মুলা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন একই ছাদের নিচে বন্দি জীবন কাটানোর ফলে প্রতিযোগীদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা, প্রেমের গুঞ্জন এবং মতবিরোধ তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ‘লক আপ’ শোতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ক্যামেরার সামনে প্রতিযোগীদের ঘনিষ্ঠ কথোপকথন এবং মানসিক বোঝাপড়া অনেক দর্শকের কাছে আকর্ষণীয় মনে হলেও সমালোচকদের একাংশ মনে করেন এগুলো পুরোটাই স্ক্রিপ্টেড বা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণের সুপরিকল্পিত কৌশল।

বিতর্কের তালিকায় আরও যুক্ত হয়েছে প্রতিযোগীদের বিভিন্ন বেফাঁস মন্তব্য ও আক্রমণাত্মক ভাষা। উত্তপ্ত তর্কে জড়িয়ে পড়ে তারকারা অনেক সময় নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন, অতীত ব্যর্থতা, মানসিক স্বাস্থ্য কিংবা পেশাগত সংকট নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেছেন যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে। তবে এই শোয়ের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয় তারকারদের মুখোশ উন্মোচন করার প্রক্রিয়া। নির্মাতা একতা কাপুরের মতে, এই কারাগারে তারকারা কেবল প্রতিযোগিতাতেই অংশ নেন না, বরং তাঁরা নিজেদের জীবনের এমন সব অজানা ও অন্ধকার অধ্যায় দর্শকের সামনে নিয়ে আসেন যা সাধারণত তারা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে চান না। আর এই ‘গোপন সত্য’ প্রকাশের কৌশলই অনুষ্ঠানটিকে সাধারণ রিয়েলিটি শো থেকে আলাদা করে তুলেছে। শোয়ের দুই জনপ্রিয় উপস্থাপক ফারাহ খান ও রিতেশ দেশমুখও বিভিন্ন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ থেকে প্রতিযোগীদের মুখোমুখি হয়েছেন এবং যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করেছেন।

নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার জন্য এই রিয়েলিটি শোটি এক বিশাল বাণিজ্যিক সাফল্য বয়ে এনেছে। নেটফ্লিক্সের কন্টেন্ট প্রধান মনিকা শেরগিল জানিয়েছেন, কারাগারভিত্তিক এই ফরম্যাটটি বিশ্বব্যাপী এবং বিশেষ করে ভারতীয় দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। গত ২৭ জুন মুক্তির পর থেকেই শোটি নেটফ্লিক্সের গ্লোবাল নন-ইংলিশ সিরিজের তালিকায় শীর্ষস্থানগুলোর একটি দখল করে নেয়। দর্শকের অতিরিক্ত চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতি সপ্তাহের পর্বের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে অল্ট বালাজি ও এমএক্স প্লেয়ারে প্রচারিত হলেও পরবর্তীতে প্ল্যাটফর্মগুলোর পরিবর্তনের কারণে অনুষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু নেটফ্লিক্সের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং একতা কাপুরের সৃজনশীল ভাবনায় নতুন আঙ্গিকে এটি পুনরায় জীবন্ত হয়ে ওঠে। যদিও দ্বিতীয় মৌসুমের চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে স্ট্রিমিং জায়ান্টের ভেতরের ইতিবাচক মনোভাব এবং বর্তমান সাফল্য ইঙ্গিত দেয় যে এই বিতর্কিত অথচ জনপ্রিয় রিয়েলিটি শোয়ের পথচলা আরও দীর্ঘ হবে।

Write Your Comment

About Author Information

Popular Post

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে রাজমিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বিতর্ক আর ভালোবাসার মেলবন্ধনে নেটফ্লিক্সে ঝড় তুলেছে রিয়েলিটি শো ‘লক আপ’

Update Time : ০১:৩৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে সম্প্রচারিত আলোচিত রিয়েলিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’-এর দ্বিতীয় মৌসুম ঘিরে চারদিকে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা। বিনোদন দুনিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে অনুষ্ঠানটি এখন পরিণত হয়েছে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে। মুক্তির পর মাত্র অল্প কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে শোটি কোটি কোটি দর্শকের নজর কেড়েছে এবং অনলাইন দুনিয়ায় সৃষ্টি করেছে বিশাল আলোড়ন। নেটফ্লিক্সের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রকাশের পর ইতোমধ্যে ৫ কোটি ঘণ্টার বেশি দেখা হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এর ইন্টারঅ্যাকশন ছাড়িয়ে গেছে ২৫০ কোটি। তবে এই অভাবনীয় জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে প্রতিযোগীদের ব্যক্তিগত জীবনের টানাপোড়েন, সম্পর্কের সমীকরণ, অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং নানা রকম বিতর্কিত মন্তব্য।

এবারের মৌসুমে সবচেয়ে বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে অভিনেতা রাম কাপুরকে ঘিরে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ দৃশ্য। প্রতিযোগিতার একটি পর্বে সহ-প্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার সঙ্গে রাম কাপুরের একটি চুম্বনের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। একদল দর্শক ও সমালোচক প্রশ্ন তোলেন, পারিবারিক বিনোদনের নামে এমন দৃশ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শন করা কতটা নৈতিক বা জরুরি ছিল। অন্যদিকে, শোয়ের সমর্থকরা দাবি করেন এটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত একটি রিয়েলিটি শো, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের সিদ্ধান্তে স্বাধীনভাবে অংশ নেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন যে রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত সীমারেখা লঙ্ঘন করেছেন। কোনো কোনো টাস্কের শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি চরম অস্বস্তিতে পড়েন বলে জানান। অন্য এক প্রতিযোগী শিল্পা শিন্দেকে সঙ্গে নিয়ে শ্রেয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান যে বিষয়টি তাঁর পারিবারিক মর্যাদার সঙ্গেও সাংঘর্ষিক।

যদিও শুরুম দিকে রাম কাপুরের স্ত্রী গৌতমী কাপুর স্বামীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে শোয়ের একটি বিশেষ পর্বে তিনি সরাসরি শুটিংস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে সেটে প্রবেশ করে গৌতমী করজোড়ে শ্রেয়ার কাছে ক্ষমা চান এবং দাবি করেন তাঁর স্বামী যদি কোনো অনুচিত আচরণ করে থাকেন তবে তিনি তার জন্য দুঃখিত। এই আবেগঘন ও নাটকীয় মুহূর্তটি দর্শকদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার ঝড় তোলে। রিয়েলিটি শোর চিরাচরিত ফর্মুলা অনুযায়ী, দীর্ঘদিন একই ছাদের নিচে বন্দি জীবন কাটানোর ফলে প্রতিযোগীদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্কের গভীরতা, প্রেমের গুঞ্জন এবং মতবিরোধ তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। ‘লক আপ’ শোতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ক্যামেরার সামনে প্রতিযোগীদের ঘনিষ্ঠ কথোপকথন এবং মানসিক বোঝাপড়া অনেক দর্শকের কাছে আকর্ষণীয় মনে হলেও সমালোচকদের একাংশ মনে করেন এগুলো পুরোটাই স্ক্রিপ্টেড বা দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণের সুপরিকল্পিত কৌশল।

বিতর্কের তালিকায় আরও যুক্ত হয়েছে প্রতিযোগীদের বিভিন্ন বেফাঁস মন্তব্য ও আক্রমণাত্মক ভাষা। উত্তপ্ত তর্কে জড়িয়ে পড়ে তারকারা অনেক সময় নিজেদের ব্যক্তিগত জীবন, অতীত ব্যর্থতা, মানসিক স্বাস্থ্য কিংবা পেশাগত সংকট নিয়ে এমন সব মন্তব্য করেছেন যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে। তবে এই শোয়ের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে ধরা হয় তারকারদের মুখোশ উন্মোচন করার প্রক্রিয়া। নির্মাতা একতা কাপুরের মতে, এই কারাগারে তারকারা কেবল প্রতিযোগিতাতেই অংশ নেন না, বরং তাঁরা নিজেদের জীবনের এমন সব অজানা ও অন্ধকার অধ্যায় দর্শকের সামনে নিয়ে আসেন যা সাধারণত তারা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে চান না। আর এই ‘গোপন সত্য’ প্রকাশের কৌশলই অনুষ্ঠানটিকে সাধারণ রিয়েলিটি শো থেকে আলাদা করে তুলেছে। শোয়ের দুই জনপ্রিয় উপস্থাপক ফারাহ খান ও রিতেশ দেশমুখও বিভিন্ন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ থেকে প্রতিযোগীদের মুখোমুখি হয়েছেন এবং যুক্তি দিয়ে পরিস্থিতি ঠান্ডা করার চেষ্টা করেছেন।

নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার জন্য এই রিয়েলিটি শোটি এক বিশাল বাণিজ্যিক সাফল্য বয়ে এনেছে। নেটফ্লিক্সের কন্টেন্ট প্রধান মনিকা শেরগিল জানিয়েছেন, কারাগারভিত্তিক এই ফরম্যাটটি বিশ্বব্যাপী এবং বিশেষ করে ভারতীয় দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলেছে। গত ২৭ জুন মুক্তির পর থেকেই শোটি নেটফ্লিক্সের গ্লোবাল নন-ইংলিশ সিরিজের তালিকায় শীর্ষস্থানগুলোর একটি দখল করে নেয়। দর্শকের অতিরিক্ত চাহিদার কথা মাথায় রেখে প্রতি সপ্তাহের পর্বের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে অল্ট বালাজি ও এমএক্স প্লেয়ারে প্রচারিত হলেও পরবর্তীতে প্ল্যাটফর্মগুলোর পরিবর্তনের কারণে অনুষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু নেটফ্লিক্সের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং একতা কাপুরের সৃজনশীল ভাবনায় নতুন আঙ্গিকে এটি পুনরায় জীবন্ত হয়ে ওঠে। যদিও দ্বিতীয় মৌসুমের চূড়ান্ত ঘোষণা এখনো আসেনি, তবে স্ট্রিমিং জায়ান্টের ভেতরের ইতিবাচক মনোভাব এবং বর্তমান সাফল্য ইঙ্গিত দেয় যে এই বিতর্কিত অথচ জনপ্রিয় রিয়েলিটি শোয়ের পথচলা আরও দীর্ঘ হবে।